Wednesday, December 16, 2020

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে উরদিঘী ফুটসাল ফুটবল লীগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে উরদিঘী ফুটসাল ফুটবল লীগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

দিলোয়ার হোসাইন নানক: কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায়  উরদিঘী স্পোটিং  ক্লাবের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আশরাফ উদ্দিন খান মরু মাস্টার এর স্মরণে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৬ ডিসেম্বর ফাইনাল ম্যাচে বিকাল পৌনে ৪ টার দিকে মাঠে নামে গাংচিল স্পোর্টিং ক্লাব টিম এবং উরদিঘী বাবলু ফুটবল টিম। ফাইনাল খেলায় গাংচিল স্পোর্টিং ক্লাব  টিমকে ৩-১ গোলে হারিয়ে উরদিঘী বাবলু ফুটবল টিম চ্যাম্পিয়ান হয়েছে।

উপজেলার উরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফাইনাল খেলা শেষে  সন্ধ্যার দিকে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ। করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মো:আব্দুল লতিফ খান ফরিদের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুনধর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রতন,উরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি নাসির উদ্দিন আঙ্গুর ভূঁইয়া, সাবেক সভাপতি আব্দুল বারী, শেখ আঃরাহেদ,গুনধর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শাহাব উদ্দিন সরকার,গুনধর ইউপির সাবেক সদস্য বাদল ভূঁইয়া, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি তানভীর আহম্মেদ মীর রিপন, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র ও বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমতিয়াজ খান রুমান, ছাত্রলীগ নেতা মুখশেদ আলী,যুবলীগ নেতা আতাউর রহমান তপন,গুনধর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি রাজন মোড়ল সহ অতিথিরা পুরস্কার বিতরণ করেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গুনধর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান এবং তরিকুল ইসলাম।

Thursday, December 3, 2020

খয়রত মাহফিলে আসবেন  ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার

খয়রত মাহফিলে আসবেন ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার

আগামী ৭ই ডিসেম্বর খয়রত মাহফিল আসবেন ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার। 
ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার। ছবি: সংগৃহীত

খয়রত ইসলামি স্টাডি সোসাইটি কতৃক আয়োজিত ২য় বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসাবে আলোচনা করবেন অত্যন্ত জনপ্রিয় বক্তা  ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার সাহেব। মাহফিলটি খয়রত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

Saturday, November 14, 2020

গুনধরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

গুনধরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

দিলোয়ার হোসাইন নানক: কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জে গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক গ্রহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। নিহত মিনা আক্তার (৩৬) গুনধর ইউনিয়নের কদিমমাইজহাটি গ্রামের রবিন মিয়ার স্ত্রী।
ঘটনার চিত্র ছবি: দিলোয়ার হোসাইন নানক
শনিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে তিনি সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

করিমগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) সৈয়দ আঃ সাত্তার বলেন, দুপুরে সবার অজান্তে আমির হোসেনের ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ মমিনুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। তবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ওই নারী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে।

Friday, October 30, 2020

মরিচখালী বাজারে ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

মরিচখালী বাজারে ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

মজিবুর রহমান মিথুন: ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় মানবতার মুক্তির দূত বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবমাননা ও ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের প্রতিবাদে মরিচখালী বাজারে ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: মজিবুর রহমান মিথুন

শানে মদিনা হজ্ব ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস -এর উদ্যোগে আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জুম‌আর পর অনুষ্ঠিত সর্বস্তরের তাওহিদী জনতার এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে ফ্রান্সের পণ্য বর্জন ও ফ্রান্সকে বয়কট করার আহ্বান জানানো হয়। এসময় নবীপ্রেমি বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয় আকাশ-বাতাস।

জুম‌আর নামাজের পর মরিচখালী বাজার জামে মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি মরিচখালী বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উরদিঘী দাখিল মাদ্রাসার মাঠে এসে সমবেত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, “ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মানবতার মুক্তির দূত, শান্তির প্রতীক, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে যে ঘৃণ্য কাজ করা হয়েছে, তাতে বিশ্ব মুসলিমদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে।”

বিক্ষোভ সমাবেশে মরিচখালী বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সাদিকুল ইসলাম সাদিক মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আজ যদি মুসলিমরা ঐক্যবদ্ধ থাকতো তবে এমন ঘটনা ঘটতো না। তাই বিশ্বের মুসলিমদের এক হতে হবে।" প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে থাকা ফ্রান্সের দূতাবাসের মাধ্যমে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে, কেন তারা দুনিয়ার মুসলমানের নবীকে অপমান করবে? ফ্রান্স সরকারের পক্ষ থেকে যদি ক্ষমা না চাওয়া হয় তবে বাংলার মাটিতে রাসূলকে অপমানকারী রাষ্ট্রের দূতাবাস থাকতে দেওয়া যাবে না।”

এছাড়া বিক্ষোভ সমাবেশ বক্তব্য রাখানে কাজী মোঃ আব্দুল খালেক ও মরিচখালী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব আব্দুল খালেক। পরে মোনাজাতের মাধ্যমে বিক্ষোভ সমাবেশটি সমাপ্ত হয়।

Sunday, April 26, 2020

করোনা আক্রান্তদের জন্য বাইক অ্যাম্বুলেন্স

করোনা আক্রান্তদের জন্য বাইক অ্যাম্বুলেন্স

সারা বিশ্বেই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। শ্বাসকষ্ট হলে আক্রান্তকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতালে নিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে যথা সময়ে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। তাই এবার বাইক অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে এসেছে ভারতের হিরো মোটো করপোরেশন।

ভারতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী দরিদ্র মানুষকে যাতে বিপদে পড়তে না হয়। তার জন্য বাইক অ্যাম্বুলেন্সের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব মানুষের কথা ভেবে ৬০টি বাইক অ্যাম্বুলেন্স দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করেছে তারা।

সংস্থাটি জানায়, বিশেষভাবে তৈরি এ বাইক অ্যাম্বুলেন্সগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী রোগীদের কাছে পৌঁছতে পারবে। তাদের নিকটবর্তী কোনো হাসপাতালে নিয়ে যেতে সবচেয়ে দ্রুত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

১৫০ সিসি মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় কয়েকটি আনুষঙ্গিক পরিবর্তন এনে বাইক অ্যাম্বুলেন্সগুলো তৈরি করা হয়েছে। এমনকি ইতোমধ্যেই করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পিএম কেয়ারস ফান্ডে ৫০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়াও অন্যান্য ত্রাণ তহবিলে আরও ৫০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। পাশাপাশি স্যানিটাইজার, মাস্ক, গ্লাভস, ১০০ ভেন্টিলেটরসহ দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরখণ্ড, রাজস্থান, গুজরাট ও অন্ধ্রপ্রদেশে প্রতিদিন প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিককে খাবার দিচ্ছে তারা।
লক্ষ্মীপুরে জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে যুবকের মৃত্যু, বাড়ি লকডাউন

লক্ষ্মীপুরে জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে যুবকের মৃত্যু, বাড়ি লকডাউন


লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে জ্বর-সর্দি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মো. জসিম উদ্দিন (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার চর আলেকজান্ডার ইউনিয়নের বালুরচর এলাকার নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

জসিম ওই এলাকার আব্দুল অদুদ মেস্তরীর ছেলে। তিনি স্থানীয় খায়েরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন।

রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কামনাশিস মজুমদার জানান, গত ১০-১২ দিন ধরে জসিম জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। এক সপ্তাহ আগে তিনি স্থানীয় এক উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের কাছে চিকিৎসার জন্য যান। উপসর্গ দেখে ওই সময় চিকিৎসক তাকে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দিলেও তিনি তা করেননি। পরে রোববার ভোরে শ্বাসকষ্ট বেড়ে জসিমের মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, করোনা পরীক্ষার জন্য জসিমের মরদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম তার বাড়িতে যাচ্ছে।

রামগতি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, এ ঘটনায় ওই যুবকের বাড়ি লকডাউন করে দেয়া হয়েছে।
করোনা আতঙ্ক: মনের উপর চাপ না পড়ুক

করোনা আতঙ্ক: মনের উপর চাপ না পড়ুক


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। এদিকে লকডাউনে যার যার ঘরে বন্দি সবাই। পৃথিবীর এই স্থবিরতা না চাইতেই মনের উপর চাপ ফেলছে। আশঙ্কা আর ভয় তৈরি হচ্ছে। যা ক্রমশ অবসাদে পরিণত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনামুক্ত থাকতে মন ভালো রাখা জরুরি। অবসাদ ও অ্যাংজাইটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। সুতরাং সুস্থ থাকার একমাত্র পথ মন ভালো রাখা।

এই সময় অনেকে বাড়ি থেকে অফিসের কাজ করছেন ঠিকই আবার অনেকের সে উপায়ও নেই। বেসরকারি চাকরিজীবীদের আশঙ্কাও বাড়ছে। একটা অজানা অসুখের সঙ্গে লড়াই এমনিতেই ভয় ধরাচ্ছে। তার উপর আবার এই অসুখের কোনো ওষুধ এখনও নেই। তাই ভয়টাও বেশি। তবে সব ঘটনার মধ্যেই ইতিবাচক দিক খুঁজে নিতে পারলে সমস্যা হবে না।

যারা বাড়িতে সময় দিতে পারতেন না, তারা এই সময়টাকে উপভোগ করার চেষ্টা করুন। ভেঙে পড়লে চলবে না। প্রাণে বাঁচলে তবেই তো চাকরি থাকবে বা নতুন চাকরি হবে, এভাবে ভাবতে পারেন। নেতিবাচক চিন্তা মনের নানা সমস্যা ডেকে আনে, তাই এই চিন্তা-ভাবনা থেকে জোর করে বেরিয়ে আসতে হবে।

দিনভর অলসভাবে বিশ্রামে থাকলে মন একটা সময় মনে চাপ পড়বেই। তাই সকালে উঠেই ছাদে বা বারান্দায় গিয়ে ১০-১৫ মিনিট হাঁটুন বা গাছের পরিচর্যা করুন। প্রকৃতিকে অনুভব করার চেষ্টা করুন।

প্রতিবেশী প্রাণি কাক, শালিখ, চড়ুই বা কুকুর, বেড়ালকে কিছু খেতে দিন। মন ভালো হবে।

বাড়ির কাজে সবাই মিলে হাত লাগান। শিশুকেও তার সাধ্য অনুযায়ী কিছু কাজের দায়িত্ব দিন।

লকডাউনের একটা ভালো দিক হলো পরনির্ভরশীলতা ছেড়ে সাবলম্বী হওয়া। ভেবে দেখুন, এক দিন গৃহকর্মী না এলে আমরা নাস্তানাবুদ হতাম। এখন কিন্তু নিজেদের কাজে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।

কাজ করুন ভালোবেসে, বিরক্তি নিয়ে কাজ করলে কাজ আর মন দুই খারাপ হবে।

অনেকের বাবা-মা কাছে না থাকায় দুশ্চিন্তা করছেন। চিন্তা করে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তাই নিয়ম করে দু’বেলা বাবা-মা বা নিকট জনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে নিন। তারা প্রকৃত কোনো সমস্যায় পড়লে স্থানীয় থানায় ফোন করে যোগাযোগ করুন।

আমাদের দ্রুতগতির জীবনে অনেক বন্ধুবান্ধব বা আত্মীদেরর সঙ্গে যোগাযোগ একপ্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এই অবসরে সম্পর্কগুলো ঝালিয়ে নিন। ফোনে আড্ডা দেওয়ায় কোনো নিষেধ নেই।

শিশুদের আঁকা, গান শেখানোর পাশাপাশি ক্লাসিক বই পড়ে শোনান। ওদেরও গল্প বলতে বলুন।

নিজেদের কোনো ভুলে যাওয়া শখ, যেমন: গান বাজনাই হোক বা গল্প-কবিতা লেখার অভ্যাস হোত, তা ঝালিয়ে নিলে মন ভালো থাকবে।

আগে গল্পের বই পড়ার সময় পাওয়া যেত না, এই অবসরে বইয়ের তাক থেকে বই পড়লে মন ভালো হবে।

টিভিতে খবর না দেখে কার্টুন বা বেড়ানোর চ্যানেল দেখুন। তবে দিনের মধ্যে স্ক্রিন টাইম যেন দু’-তিন ঘণ্টার বেশি না হয় খেয়াল রাখবেন।

এই সুযোগে রান্নার অভ্যাস ঝালিয়ে নিন। যা পাওয়া যাচ্ছে সেই সব সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে নতুন পদ রান্নার চেষ্টা করুন।

করোনাভাইরাস নিয়ে সচেতন থাকা ভালো, কিন্তু দিনভর পৃথিবীর কোথায় কত জন মারা পড়ছে সেই পরিসংখ্যান নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হবেন না।
ইফতারে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন

ইফতারে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন


রোজার গুরুত্বপূর্ণ দু’টি অংশ হলো সেহরি ও ইফতার। সেহরি খেয়ে রোজা রাখা এবং ইফতার দিয়ে রোজা ভাঙা দু’টিই জরুরি। সারাদিন রোজার শেষে ইফতারে নানাকিছু খেতে আপনার ইচ্ছা করতে পারে। কিন্তু মন চাইলেই সবকিছু খেতে যাবেন না যেন। বরং খেয়াল রাখতে হবে কিছু বিষয়ে। জেনে নিন-

ইফতারে পান করুন স্বাস্থ্যকর শরবত। লেবুর শরবত খেতে পারেন। শরবতের সঙ্গে যোগ করতে পারেন ইসুবগুলের ভুষি। এটি আপনাকে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে।

ইফতারের যাবতীয় খাবার একত্রে মাখিয়ে খেতে পছন্দ করেন অনেকে। সঙ্গে যোগ করেন পেঁয়াজ-মরিচও। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যাতে মরিচ ও পেঁয়াজের পরিমাণ বেশি না হয়। কারণ অধিক স্বাদের জন্য বেশি পরিমাণ মরিচ-পেঁয়াজ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ইফতারে তো অবশ্যই ফল খাবেন। তবে অ্যাসিড সমৃদ্ধ ফল যেমন কাঁচা আম, আপেল, তেঁতুল, লেবু, বাতাবি লেবু, কামরাঙ্গা ইফতারের শুরুতে না খেয়ে শেষে খাওয়া ভালো। এতে আপনার শরীর চাঙ্গা হয়ে যাবে। প্রথমে এই ফলগুলো খেলে সমস্যা হতে পারে।

সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ইফতারে অধিক ভাজা ও তেল সমৃদ্ধ খাবার পেটে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই তেলে ভাজা খাবার কম খাওয়া বা একেবারে না খাওয়াই ভালো।

ইফতারে মশলাদার খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে অনেকেরই। ইফতারে কম মশলাযুক্ত খাবার খান। অধিক মশলাযুক্ত খাবার পেটে গ্যাস্ট্রিকের কারণে সৃষ্ট ক্ষত বাড়িয়ে তোলে এবং যন্ত্রণা বাড়িয়ে দেয়।

ইফতারের সময় খাওয়ার মাঝে অতিরিক্ত পানি পান থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে হজমে সহায়ক উপাদান সঠিকভাবে নিঃসৃত হবে। খাবারের মাঝে বেশি পানি খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে।

চা-কফির প্রতি আগ্রহ অনেকের একটু বেশিই থাকে। তাই বলে ইফতারে খালি পেটে চা-কফি একদমই খাবেন না। চা-কফি পেটে গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা বাড়িয়ে তুলতে পারে। চা কিংবা কফি খেতে চাইলে ইফতারের ঘণ্টাখানেক পরে খান।